ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
-
ডোজ: ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট - 2 টি ট্যাবলেট
-
ডোজ: দ্রবণ তৈরির পাউডার (স্যাচেট) - 5 gm (এক 5 mL চামচ ভর্তি পাউডার) অথবা একটি স্যাচেট

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 12 বছরের কম
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - প্রযোজ্য নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি
বয়স: 12 বছরের বেশি
ডোজ: ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট - 2 টি ট্যাবলেট
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 4 ঘণ্টা পর পর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ট্যাবলেটগুলো পানিতে দ্রবীভূত করুন এবং ইফারভেসেন্ট দ্রবণটি পান করুন
সেবনবিধি

অন্তত ৪ আউন্স পানিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্যাবলেট সম্পূর্ণভাবে গুলিয়ে বুদবুদযুক্ত দ্রবণ হিসেবে মুখে সেবন করুন। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ ডোজ হলো প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি ৪ ঘণ্টা অন্তর ২টি ট্যাবলেট, যা ২৪ ঘণ্টায় ৮টির বেশি হবে না; ৬০ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টায় ৪টির বেশি ট্যাবলেট সেবন করা উচিত নয়। অ্যান্টাসিডের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য খাবার খাওয়ার ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর এবং ঘুমানোর সময় সেবন করুন; পাকস্থলীর ক্ষতি এড়াতে অতিরিক্ত ভরা পেটে সেবন করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যান্য ওষুধের শোষণে ব্যাঘাত এড়াতে সেগুলো সেবনের অন্তত ২ ঘণ্টা বিরতি বজায় রাখুন। যারা সোডিয়াম-নিয়ন্ত্রিত ডায়েট করেন বা যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তারা এটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করবেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ২ সপ্তাহের বেশি সময় ব্যবহার করবেন না। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত নয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোনো ড্রাগ ইন্টারাকশন নথিভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।