ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট - 1 টি ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট (10mg) ফ্রিকোয়েন্সি: যোনিপথে দৈনিক একবার সময়কাল: ৬ দিন বিশেষ দ্রষ্টব্য: রাতে প্রয়োগ করতে হবে |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: ১৮ বছরের কম |
ডোজ: ভ্যাজাইনাল ট্যাবলেট - 10 mg বিশেষ দ্রষ্টব্য: 18 বছরের কম বয়সী শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে Dequalinium VT ব্যবহারের পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা নেই। |
সেবনবিধি
ছয় দিন ধরে প্রতিদিন একবার করে ১০ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট যোনিপথে ব্যবহার করুন, বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে। চিৎ হয়ে শুয়ে হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে ট্যাবলেটটি যোনির গভীরে প্রবেশ করাতে হবে। মাসিক চলাকালীন চিকিৎসা বন্ধ রাখতে হবে এবং মাসিক শেষ হলে পুনরায় শুরু করতে হবে। যোনিপথ অতিরিক্ত শুষ্ক থাকলে ট্যাবলেটটি দ্রুত গলানোর জন্য এক ফোঁটা পানি দিয়ে ভিজিয়ে নেওয়া যেতে পারে। চিকিৎসাকালীন সময়ে সাবান, স্পার্মিসাইড বা যোনিপথ পরিষ্কার করার অন্য কোনো তরল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। বয়ঃসন্ধি হয়নি এমন মেয়েদের ক্ষেত্রে এবং যাদের যোনিতে ঘা বা ক্ষত আছে তাদের জন্য এটি ব্যবহার করা নিষেধ। পুনরায় অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে উপসর্গ আগে সেরে গেলেও পুরো ছয় দিনের কোর্স সম্পন্ন করা উচিত।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- যোনি থেকে স্রাব
- যোনিতে চুলকানি বা যোনিতে জ্বালাপোড়া
- যোনিপথের ইস্ট ইনফেকশন
- থ্রাশ
- যোনিপথে রক্তপাত
- যোনিতে ব্যথা
- যোনিপথের প্রদাহ
- মাথাব্যথা
- বমি বমি ভাব
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোনো ড্রাগ ইন্টারাকশন নথিভুক্ত নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
যোনি এপিথেলিয়াম/সার্ভিক্সের ক্ষত
|
জ্বালাপোড়া বৃদ্ধির ঝুঁকি
|
|
ঋতুস্রাব শুরু না হওয়া মেয়েরা
|
হরমোনাল প্রভাবের ঝুঁকি
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।