ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: সেরিব্রোভাসকুলার ডিসঅর্ডার
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার
নির্দেশনা: পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - 100-200 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

নাফটিড্রোফিউরিল অক্সালেট ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট হিসেবে মুখে সেবন করা হয় এবং পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতে এটি দিনে তিনবার খাবারের সাথে বা ঠিক পরে নেওয়া উচিত। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা সাধারণত প্রতি ডোজে ১০০ মিগ্রা থেকে ২০০ মিগ্রা। খাদ্যনালীর জ্বালাপোড়া এবং আলসার প্রতিরোধ করতে ক্যাপসুলগুলো বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অন্তত এক গ্লাস (২০০ মিলি) পানি দিয়ে সম্পূর্ণ গিলে ফেলতে হবে; সেবনের পর অন্তত ৩০ মিনিট শোয়া যাবে না। পর্যাপ্ত পানি পান করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে প্রস্রাবের প্রবাহ ঠিক থাকে এবং ক্যালসিয়াম অক্সালেট কিডনি পাথরের ঝুঁকি কমে। শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না এবং গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য নিরাপত্তার তথ্য অপর্যাপ্ত। বয়স্কদের জন্য সাধারণত বিশেষ কোনো ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে বৃক্ক বা যকৃতের বৈকল্যের জন্য পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোনো ড্রাগ ইন্টারাকশন নথিভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
হাইপারঅক্সালুরিয়া বা ক্যালসিয়াম পাথরের ইতিহাস
কিডনি স্টোন তৈরির ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।