ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: টপিক্যাল ক্রিম - আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: প্রয়োজন অনুযায়ী যতবার দরকার বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিশেষ করে গোসলের পর, প্রতিকূল আবহাওয়ার সংস্পর্শে আসার পর এবং রাতে প্রয়োগ করুন, তারপর আলতো করে ম্যাসাজ করুন। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: মাঝে মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য বয়স: 2 থেকে 6 বছরের কম |
ডোজ: সাপোজিটরি - 1.2 g (1 টি সাপোজিটরি) ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার বিশেষ দ্রষ্টব্য: পায়ুপথে ব্যবহার্য |
সেবনবিধি
এই ইমোলিয়েন্ট সংমিশ্রণটি প্রয়োজন অনুযায়ী বা স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের নির্দেশ অনুযায়ী আক্রান্ত ত্বকে ব্যবহার করুন। ভালো ফলাফলের জন্য, গোসল বা ধোয়ার পরপরই যখন ত্বক ভেজা থাকে তখন এটি ব্যবহার করুন যাতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং প্রয়োজনীয় তেলের ঘাটতি পূরণ হয়। লোশন বা ক্রিমটি পাতলা করে লাগাতে হবে এবং চুলের বৃদ্ধির দিকে আলতোভাবে ঘষতে হবে যাতে ফলিকুলাইটিস (লোমকূপের প্রদাহ) না হয়। এটি শিশু এবং বৃদ্ধসহ সব বয়সের মানুষের জন্য উপযোগী। সাধারণত নিরাপদ হলেও, লিভার বা কিডনিজনিত সমস্যা থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। চোখ এবং খোলা ক্ষত থেকে দূরে রাখুন। সতর্কবাণী: এই পণ্যটিতে প্যারাফিন রয়েছে যা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করে; আগুনের শিখা থেকে দূরে থাকুন এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকুন, কারণ এই অবশিষ্টাংশ দ্বারা দূষিত কাপড় বা ড্রেসিং ধোয়ার পরেও সহজে আগুন ধরে যেতে পারে।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- সাময়িক জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোনো ড্রাগ ইন্টারাকশন নথিভুক্ত নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
বিশেষ কোন বিপরীত প্রভাব নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।