ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: হাইপারলিপিডেমিয়া
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: পেডিয়াট্রিক
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - কোনো অনুমোদিত ডোজ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত শিশু ডোজ উপলব্ধ নেই

কিডনি রোগীদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
অবস্থা: রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট
ডোজ: নির্দিষ্ট করা হয়নি - নির্দিষ্ট করা হয়নি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিনির্দেশিত।
অবস্থা: রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট
ডোজ: নির্দিষ্ট করা হয়নি - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: এক দিন পর পর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডোজ কমিয়ে প্রতি একদিন পর পর 100 mg করুন।
সেবনবিধি

সিপ্রোফাইব্রেট মুখে সেবনযোগ্য ১০০ মিগ্রা ট্যাবলেট হিসেবে দিনে একবার খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া প্রতিদিন একই সময়ে গ্রহণ করুন। মাঝারি ধরনের বৃক্কের (কিডনি) সমস্যা থাকলে ডোজ কমিয়ে প্রতি দুই দিন অন্তর ১০০ মিগ্রা করা উচিত; তবে গুরুতর বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যা থাকলে এটি ব্যবহার করা নিষেধ। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার তথ্যের অভাবে শিশুদের জন্য এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। রোগীদের অব্যক্ত পেশি ব্যথার কথা দ্রুত জানানোর পরামর্শ দিতে হবে এবং মায়োপ্যাথি ধরা পড়লে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। র‍্যাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি কমাতে অন্যান্য ফাইব্রেট জাতীয় ওষুধের সাথে এর সমান্তরাল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
HMG-CoA reductase inhibitors
পেশী প্রভাব বিশেষত রাবডোমায়োলাইসিসের ঝুঁকি বাড়ে
Cholestyramine, colestipol
শোষণ কমে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
গুরুতর যকৃতের অকার্যকারিতা
ঔষধের বিষক্রিয়ার ঝুঁকি
গুরুতর কিডনির অকার্যকারিতা
ঔষধ শরীরে জমে যাওয়ার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store below 30°C. Protect from light and moisture. Keep the medicine out of reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।