ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: একক থেরাপি হিসেবে বা অন্যান্য খিঁচুনি-বিরোধী ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে (প্রাথমিক) |
ডোজ: ওরাল - 100-125 mg ফ্রিকোয়েন্সি: ঘুমানোর সময় দৈনিক একবার সময়কাল: 3 দিনের জন্য বিশেষ দ্রষ্টব্য: বয়স্কদের ওরাল মাত্রা রোগীর ক্লিনিকাল প্রতিক্রিয়া এবং সহনশীলতার ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তিভিত্তিক নির্ধারিত হয়। |
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: একক থেরাপি হিসেবে বা অন্যান্য খিঁচুনি-বিরোধী ওষুধের সাথে সংমিশ্রণে (টাইট্রেশন ধাপ 1) |
ডোজ: ওরাল - 100-125 mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার সময়কাল: 3 দিনের জন্য |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: খিঁচুনি (সাইকোমোটর, ফোকাল, এবং গ্র্যান্ড ম্যাল) |
ডোজ: ওরাল - 50 mg ফ্রিকোয়েন্সি: ঘুমানোর সময় দৈনিক একবার সময়কাল: 3 দিনের জন্য বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রাথমিক মুখে (ওরাল) |
|
নির্দেশনা: খিঁচুনি (সাইকোমোটর, ফোকাল, এবং গ্র্যান্ড ম্যাল) |
ডোজ: ওরাল - 50 mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার সময়কাল: 3 দিনের জন্য বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখে (ওরাল) |
কিডনি রোগীদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
অবস্থা: কিডনির দুর্বলতা |
ডোজ: রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট - মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ দ্রষ্টব্য: মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে। |
সেবনবিধি
প্রিমিডোন ট্যাবলেট হিসেবে মুখে সেবন করতে হয়, যা খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া গ্রহণ করা যেতে পারে। খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণের জন্য চিকিৎসা কম মাত্রায় শুরু করা হয়, সাধারণত ঘুমানোর সময় এবং প্রতি তিন দিন অন্তর ধীরে ধীরে মাত্রা বাড়িয়ে একটি সহনীয় পর্যায়ে নেওয়া হয় যাতে অ্যাটাক্সিয়া এবং ভার্টিগোর মতো প্রাথমিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো কমানো যায়। দৈনিক মোট মাত্রাকে ভাগ করে আদর্শভাবে দিনে দুইবার দেওয়া উচিত, তবে ক্ষেত্রবিশেষে দিনে চারবার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে, যা দিনে সর্বোচ্চ ২ গ্রামের বেশি হবে না। ওষুধের মাত্রা রোগীর ক্লিনিকাল প্রতিক্রিয়া এবং সিরাম লেভেলের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করতে হবে, বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধ রোগীদের ক্ষেত্রে যাদের অতিরিক্ত তন্দ্রাচ্ছন্নতা রোধে কম মাত্রার প্রয়োজন হয়। বৃক্কের (কিডনি) সমস্যা থাকলে ডোজ সমন্বয় করা প্রয়োজন এবং ওষুধ বন্ধ করার সময় ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে বন্ধ করতে হবে যাতে স্ট্যাটাস এপিলেপটিকাস প্রতিরোধ করা যায়। আত্মহত্যার চিন্তা এবং শ্বাসকষ্টের জন্য রোগীদের পর্যবেক্ষণ করা উচিত, বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই ফুসফুসের রোগ রয়েছে।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- ডিসার্থরিয়া
- প্যারেসথেসিয়া
- অ্যাটাক্সিয়া
- ভার্টিগো
- পেডিয়াট্রিক রোগী
- প্যারাডক্সিকাল উত্তেজনা
- হাইপারঅ্যাকটিভিটি
- জেরিয়াট্রিক রোগী
- উত্তেজনা
- বিভ্রান্তি
- বিষণ্নতা
- তন্দ্রাচ্ছন্নতা
- অ্যাটাক্সিয়া
- বিরক্তি
- মাথাব্যথা
- অস্থিরতা
- নিস্ট্যাগমাস
- মাথা ঘোরা
- ভার্টিগো
- তীব্র সাইকোসিস (বিরল)
- বমি বমি ভাব
- বমি
- কোষ্ঠকাঠিন্য
- ডায়রিয়া
- মেগালোব্লাস্টিক (ফোলেট-ডেফিসিয়েন্সি) অ্যানিমিয়া
- হেপাটোটক্সিসিটি
- হাইপোক্যালসেমিয়া
- রিকেটস (বিরল)
- অস্টিওম্যালাসিয়া (বিরল)
- র্যাশ
- স্টিভেন্স-জনসন সিনড্রোম (বিরল)
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
CYP3A4 inhibitors (e.g. chloramphenicol, felbamate, nelfinavir, metronidazole, Na valproate)
|
সিরাম ঘনত্ব বাড়াতে পারে
|
|
Various drugs (e.g. androgens, β-antagonists, carbamazepine, chloramphenicol, clozapine, Corticosteroids (Prednisone, Prednisolone, Methylprednisolone, Dexamethasone, Hydrocortisone), cyclophosphamide, cyclosporin, dicoumarins, digitoxin, doxycycline, ethosuximide, etoposide, felbamate, granisetron, lamotrigine, losartan, methadone, metronidazole, mianserin, montelukast, nelfinavir, nimodipine, oral contraceptives, oxcarbazepine, phenytoin, quinidine, rocuronium, Na valproate, tiagabine, theophylline, topiramate, TCAs, vecuronium, warfarin, zonisamide)
|
বিপাক বৃদ্ধি করে সিরাম ঘনত্ব কমাতে এবং অর্ধজীবন সংক্ষিপ্ত করতে পারে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
বিশেষ কোন বিপরীত প্রভাব নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।