ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: আই ড্রপ - ১ ফোঁটা ফ্রিকোয়েন্সি: প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত চোখে প্রয়োগ করুন। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: কোনো অনুমোদিত শিশুসুলভ ডোজ উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুপারিশ করা হয় না |
সেবনবিধি
চোখের শুষ্কতা এবং জ্বালাপোড়া উপশমের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী আক্রান্ত চোখে ১ বা ২ ফোঁটা অফথালমিক সলিউশন ব্যবহার করুন। ব্যবহারের আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন এবং দূষণ রোধ করতে ড্রপারের অগ্রভাগ যেন চোখ বা কোনো পৃষ্ঠ স্পর্শ না করে তা নিশ্চিত করুন। অন্যান্য চোখের ওষুধ ব্যবহার করলে, ড্রপ দেওয়ার অন্তত ৫ মিনিট পর মলম ব্যবহার করুন। রোগীদের ড্রপ ব্যবহারের আগে কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলা উচিত এবং পুনরায় ব্যবহারের আগে অন্তত ১৫ মিনিট অপেক্ষা করা উচিত। চোখের ব্যথা, দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা ক্রমাগত লালভাব দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন। এই প্রস্তুতিটি সাধারণত বয়স্ক রোগীদের জন্য নিরাপদ, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয়। ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন এবং দ্রবণটি ঘোলা হয়ে গেলে বা রঙ পরিবর্তন করলে তা বর্জন করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- এই পণ্যটি প্রথমবার ব্যবহারের সময় দৃষ্টি সাময়িকভাবে ঝাপসা হতে পারে
- এছাড়াও, সামান্য জ্বালাপোড়া/হুল ফোটানোর মতো অনুভূতি/অস্বস্তি সাময়িকভাবে হতে পারে
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
-
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
চোখের প্রতিক্রিয়ার জন্য পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।