ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওটিক - কার্বামাইড পারঅক্সাইড 6.5%
ফ্রিকোয়েন্সি: আক্রান্ত কানে (বা কানগুলোতে) দৈনিক দুই বার 5 থেকে 10 ফোটা
সময়কাল: 4 দিন পর্যন্ত

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 12-18 বছর
ডোজ: ওটিক কার্বামাইড পারঅক্সাইড 6.5% - 5 থেকে 10 ফোটা
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুই বার
সময়কাল: 4 দিন পর্যন্ত
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত কানে (বা কানগুলোতে)
বয়স: 2-12 বছরের বেশি
ডোজ: ওটিক কার্বামাইড পারঅক্সাইড 6.5% - 1 থেকে 5 ফোটা
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুই বার
সময়কাল: 4 দিন পর্যন্ত
বিশেষ দ্রষ্টব্য: রোগীর শারীরিক গঠন বা বয়স অনুসারে; আক্রান্ত কানে (বা কানগুলোতে)
সেবনবিধি

শুধুমাত্র কানে ব্যবহারের জন্য, প্রতিদিন দুইবার করে সর্বোচ্চ চার দিন পর্যন্ত কার্বামাইড পারক্সাইড ৬.৫% অটিক সলিউশন ব্যবহার করুন। ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে মাথা একপাশে কাত করে আক্রান্ত কানে ৫ থেকে ১০ ফোঁটা দিতে হবে, খেয়াল রাখতে হবে যেন অ্যাপ্লিকেটরের অগ্রভাগ কানের ভেতরে প্রবেশ না করে। কানের খৈল নরম করার জন্য ফোঁটা দেওয়ার পর কয়েক মিনিট মাথা কাত করে রাখতে হবে অথবা তুলো দিয়ে কান বন্ধ করে রাখতে হবে। অবশিষ্ট খৈল একটি নরম রাবার বাল্ব সিরিঞ্জ ব্যবহার করে কুসুম গরম পানি দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করা যেতে পারে। কান দিয়ে তরল নির্গত হওয়া, পুঁজ পড়া, ব্যথা, জ্বালাপোড়া অথবা কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার সন্দেহ থাকলে ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোনো ড্রাগ ইন্টারাকশন নথিভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
বিশেষ কোন বিপরীত প্রভাব নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।