ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: একবার প্রয়োগ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজন হলে, প্রাথমিক প্রয়োগের অন্তত 7 দিন পর দ্বিতীয় প্রয়োগ দেওয়া যেতে পারে

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 2 মাস থেকে 2 বছর
ডোজ: টপিক্যাল - সমস্ত শরীরে প্রয়োগ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে
সেবনবিধি

স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া চিকিৎসার জন্য, চিবুক থেকে শুরু করে পুরো শরীরে এই কম্বিনেশন ক্রিম বা লোশনটি মেখে নিন। ত্বকের ভাঁজ, আঙুলের ফাঁক এবং নখের নিচে যেন ভালোভাবে লাগানো হয় তা নিশ্চিত করুন। ক্রোটামিটনের ক্ষেত্রে, সাধারণত প্রথমবার ব্যবহারের ২৪ ঘণ্টা পর দ্বিতীয়বার এটি ব্যবহার করা হয় এবং শেষবার ব্যবহারের ৪৮ ঘণ্টা পর গোসল করতে হয়। যদি পারমেথ্রিন প্রধান উপাদান হয়, তবে এটি ধুয়ে ফেলার আগে সাধারণত ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা ত্বকে রাখতে হয় এবং প্রায়ই ৭ দিন পর পুনরায় ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। চোখ, মুখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লির (mucous membranes) সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। পারমেথ্রিন ২ মাসের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য অনুমোদিত হলেও, সরাসরি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে ক্রোটামিটনের সুপারিশ করা হয় না। পুনরায় সংক্রমণ রোধ করতে রোগীদের গত ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে ব্যবহৃত কাপড় এবং বিছানার চাদর জীবাণুমুক্ত করা উচিত। এটি ঠান্ডা ও শুষ্ক ত্বকে ব্যবহার করুন এবং অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া বা ক্ষতযুক্ত স্থানে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন ঔষধের সাথে বিক্রিয়া নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
প্রযোজ্য নয়
প্রযোজ্য নয়

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store in a cool place (do not store above 25° C & do not freeze) and protected from light.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।