ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ড্রপ - 1-2 ড্রপ ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে 3 থেকে 4 বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: কনজাংটিভাল স্যাক-এ ফোঁটা ফোঁটা করে দিন। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: কোনো অনুমোদিত ডোজ ফর্ম নেই - কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই |
সেবনবিধি
আক্রান্ত চোখে ড্রপ বা সলিউশন হিসেবে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করুন। ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিসের ক্ষেত্রে, প্রথম দুই দিন জেগে থাকা অবস্থায় প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর এক ফোঁটা করে এবং পরবর্তী পাঁচ দিন দৈনিক সর্বোচ্চ চারবার এক ফোঁটা করে ব্যবহার করুন। ব্যবহারের আগে হাত ধুয়ে নিন এবং সাসপেনশন হলে বোতলটি ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। দূষণ এড়াতে ড্রপারের অগ্রভাগ চোখ, চোখের পাতা বা অন্য কোনো পৃষ্ঠে স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। অন্য কোনো চোখের ওষুধ ব্যবহার করলে, দুটি প্রয়োগের মাঝে অন্তত পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। ব্যবহারের আগে কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন এবং পুনরায় ব্যবহারের আগে অন্তত পনের মিনিট অপেক্ষা করুন। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ফলে কর্টিকোস্টেরয়েড-জনিত গ্লুকোমা বা সেকেন্ডারি ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ (ইন্ট্রাওকুলার প্রেশার) পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী রোগীদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত গবেষণার অভাব থাকায় চিকিৎসকদের উচিত এর সুবিধা ও ঝুঁকির অনুপাত বিবেচনা করা।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- সামান্য জ্বালাপোড়া
- কেমোসিস
- লালভাব হতে পারে
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন ঔষধের সাথে বিক্রিয়া নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
চোখের ছত্রাক রোগ
|
ছত্রাক সংক্রমণ বাড়তে পারে
|
|
ভাইরাল চোখ উঠা
|
ভাইরাল সংক্রমণ বাড়তে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।