ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: অন্ত্রের অ্যামিবায়াসিস বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ওরাল - 500 mg ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে 3 বার সময়কাল: 10 দিন বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজন হলে কোর্সটি পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: অন্ত্রের অ্যামিবায়াসিস বয়স: শিশু |
ডোজ: ওরাল - 20 mg/kg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3 টি বিভক্ত মাত্রায় সময়কাল: 10 দিন বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজনে পুনরাবৃত্তি করা যেতে পারে |
সেবনবিধি
ডাইলোক্সানাইড ফুরোয়েট ট্যাবলেট হিসেবে মুখে সেবন করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ নিয়ম হলো ৫০০ মিগ্রা দিনে তিনবার ১০ দিন পর্যন্ত, যা প্রতি আট ঘণ্টা অন্তর সেবন করা আদর্শ। ২৫ কেজির বেশি ওজনের শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজ শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ২০ মিগ্রা হিসেবে হিসাব করা হয়, যা দৈনিক তিনটি বিভক্ত ডোজে ১০ দিন ধরে সেবন করতে হয়। পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া কমাতে ওষুধটি খাবারের সাথে সেবন করা উচিত। লক্ষণগুলোর দ্রুত উন্নতি হলেও লুমিনাল অ্যামিবিয়াসিস সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার জন্য ১০ দিনের পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি। বয়স্কদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে ২৫ কেজির কম ওজনের শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রার সীমাবদ্ধতার কারণে এই ওষুধটি সুপারিশ করা হয় না। বিশেষ করে ডায়রিয়া থাকলে রোগীদের পর্যাপ্ত জল পান করা উচিত।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর হার অজানা পেট ফাঁপা
- চুলকানি
- আমবাত
- বমি।
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন ঔষধের সাথে বিক্রিয়া নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
প্রযোজ্য নয়
|
প্রযোজ্য নয়
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।