ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: অপথালমিক - পাতলা এবং সমান প্রলেপ
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতিদিন প্রতি 4 ঘণ্টা পর পর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কনজাংটিভাল স্যাক-এ প্রয়োগ করা হয়

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: টিনিয়া পেডিস, টিনিয়া ক্রুরিস, এবং টিনিয়া কর্পোরিস
বয়স: শিশু
ডোজ: টপিক্যাল - আক্রান্ত স্থানে একটি পাতলা স্তর প্রয়োগ করুন
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
নির্দেশনা: ওরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্ডিডিয়াসিস
বয়স: 3 থেকে 17 বছর
ডোজ: মুখে - 10 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে 5 বার
সেবনবিধি

ক্লোট্রিমাজোল চোখের প্রস্তুতিগুলো ছত্রাকজনিত কেরাটাইটিসের চিকিৎসার জন্য চোখে টপিক্যালি (সরাসরি আক্রান্ত স্থানে) প্রয়োগ করা হয়। চোখের কনজাংটিভাল স্যাকে প্রতি ৪ ঘণ্টা অন্তর বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পাতলা এবং সমানভাবে জীবাণুমুক্ত মলমটি প্রয়োগ করুন। সংক্রমণ রোধ করতে মলম ব্যবহারের আগে এবং পরে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন। রোগীদের পরামর্শ দেওয়া উচিত যে, উপসর্গের উন্নতি হলেও চিকিৎসার সম্পূর্ণ কোর্স যেন শেষ করেন। যদি চোখে তীব্র জ্বালাপোড়া বা অতিসংবেদনশীলতা দেখা দেয় তবে ব্যবহার বন্ধ করুন। নির্ধারিত মাত্রায় শিশুদের জন্য এটি নিরাপদ হলেও, গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে এটি কেবল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হলেই ব্যবহার করা উচিত এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সামান্য শোষণের কারণে বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার জন্য সাধারণত বিশেষ কোনো ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Polyene antibiotics
একে অপরের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।