ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ক্যাপসুল - ১-২টি ক্যাপসুল ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 1 বছরের বেশি |
ডোজ: ক্যাপসুল - ১টি ক্যাপসুল ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার |
সেবনবিধি
ফেরাস অ্যাসকরবেট, ফলিক অ্যাসিড এবং জিঙ্ক ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা সিরাপ হিসেবে মুখে সেবন করুন, সাধারণত দিনে একবার বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী। খালি পেটে সেবন করলে শোষণ সবচেয়ে ভালো হয় (খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে), তবে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অস্বস্তি কমাতে এটি খাবারের সাথেও নেওয়া যেতে পারে। ট্যাবলেটগুলো জল দিয়ে আস্ত গিলে ফেলতে হবে এবং চূর্ণ করা, চিবানো বা ভাঙা উচিত নয়। দুগ্ধজাত দ্রব্য, ডিম, চা, কফি, অ্যান্টাসিড বা ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের সাথে এটি গ্রহণ করবেন না, কারণ এগুলো আয়রন শোষণে উল্লেখযোগ্যভাবে বাধা দেয়। এই ওষুধ এবং টেট্রাসাইক্লিন বা কুইনোলন অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে দুই ঘণ্টার ব্যবধান বজায় রাখুন। লিভার বা কিডনির সমস্যা থাকলে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের নির্দিষ্ট ডোজের জন্য স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- তবে কিছু অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে
- পেটে ব্যথা
- বদহজম
- বমি বমি ভাব
- বমি
- কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Quinolones, Tetracyclines
|
শোষণ কমে যেতে পারে
|
|
Antacids, H2 antagonists
|
আয়রনের শোষণ কমাতে পারে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
অচিকিৎসিত কোবালামিন অভাব
|
ভিটামিন বি১২ এর অভাব লুকিয়ে ফেলতে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।