ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: প্রোস্টেটিক কার্সিনোমার উপশমকারী চিকিৎসা
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ২৫০ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক ৩ বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: গোনাডোরেলিন অ্যানালগ চিকিৎসার কমপক্ষে ৩ দিন পূর্বে দেওয়া বাঞ্ছনীয়।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: ট্যাবলেট - কোনো অনুমোদিত শিশুতোষ মাত্রা উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত শিশুতোষ মাত্রা উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

ফ্লুটামাইড দিনে ৩ বার ২৫০ মিলিগ্রাম করে মোট ৭৫০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট হিসেবে মুখে সেবন করুন। পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে ওষুধটি খাবারের পর বা খাবারের সাথে গ্রহণ করা ভালো, তবে এটি খাবার ছাড়াও নেওয়া যেতে পারে। দ্রুত শোষণ এবং সম্ভাব্য অতিরিক্ত মাত্রা (ওভারডোজ) রোধ করতে ট্যাবলেটগুলো এক গ্লাস পানি দিয়ে আস্ত গিলে ফেলতে হবে; এগুলো গুঁড়ো করা বা চিবানো যাবে না। প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে, এটি লুটেইনাইজিং হরমোন-রিলিজিং হরমোন অ্যাগোনিস্ট থেরাপির সাথে বা অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে শুরু করুন। লিভারের গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ফ্লুটামাইড ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং এটি নারী বা শিশুদের জন্য নির্দেশিত নয়। চিকিৎসার প্রথম ৪ মাস প্রতি মাসে এবং পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পরপর লিভার ফাংশন টেস্ট করুন; যদি ট্রান্সঅ্যামিনেজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ হয় বা জন্ডিস দেখা দেয়, তবে ডোজ সমন্বয় বা ওষুধ বন্ধ করতে হবে। মেটহিমোগ্লোবিনিমিয়ার ঝুঁকির কারণে জি৬পিডি (G6PD) ডেফিসিয়েন্সি রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Warfarin
দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসায় প্রোথ্রম্বিন সময় বাড়ে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
গুরুতর যকৃতের অকার্যকারিতা
যকৃতের অবস্থা আরো খারাপ করতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store at 25° C.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।