ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ইন্ট্রাভেনাস - প্রতি মিনিটে 30-75 ড্রপ
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি প্রতি ঘণ্টায় 0.5-1 g/kg শরীরের ওজনের বেশি হওয়া উচিত নয়

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: তরল প্রতিস্থাপন এবং ক্যালোরি সরবরাহ
ডোজ: ইন্ট্রাভেনাস - 0.5-1 gm/kg শরীরের ওজন
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি ঘন্টায়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ইন্ট্রাভেনাস
সেবনবিধি

শুধুমাত্র সেন্ট্রাল বা বড় পেরিফেরাল শিরার মাধ্যমে অবিচ্ছিন্ন ইনট্রাভেনাস ইনফিউশন হিসেবে প্রয়োগ করুন। ইনফিউশনের হার অবশ্যই সতর্কতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস ও হাইপারইউরিসেমিয়াসহ বিপাকীয় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কমাতে প্রতি কেজি শরীরের ওজনের জন্য প্রতি ঘন্টায় ০.৫ থেকে ১ গ্রাম ফ্রুক্টোজ (সাধারণত প্রতি মিনিটে ৩০ থেকে ৭৫ ফোঁটা) অতিক্রম করা উচিত নয়। প্রয়োগের আগে দ্রবণটিতে কোনো কণা বা বিবর্ণতা আছে কিনা তা চাক্ষুষভাবে পরীক্ষা করা উচিত। একই ইনফিউশন সেটের মাধ্যমে রক্তজাত পণ্যের সাথে এটি একসাথে প্রয়োগ করবেন না। প্রয়োগের সময় রোগীর রক্তে গ্লুকোজ, ইলেক্ট্রোলাইটস এবং অ্যাসিড-বেস ব্যালেন্সসহ বিপাকীয় অবস্থা ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা অপরিহার্য। মারাত্মক যকৃতের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং বংশগত ফ্রুক্টোজ অসহিষ্ণুতা (hereditary fructose intolerance) আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন প্রতিক্রিয়া নথিভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
জন্মগত ফ্রুক্টোজ বিপাকীয় ত্রুটি
মারাত্মক রক্তে শর্করার ঘাটতি ও যকৃতের ক্ষতি হতে পারে
মিথাইল অ্যালকোহল বিষক্রিয়া
বিপাকীয় জটিলতা বৃদ্ধি পেতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
This should be stored at controlled room temperature

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।