ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: পেরিফেরাল রক্তসংবহন সংক্রান্ত ব্যাধি বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: মৌখিক - ০.৫-১ g ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিভাজিত ডোজে সেবন করতে হবে। |
|
নির্দেশনা: পেরিফেরাল রক্তসংবহন সংক্রান্ত ব্যাধি বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ক্যাপসুল - ১ ক্যাপসুল ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক ১ বা ২ বার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - প্রযোজ্য নয় বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত শিশুর ডোজ উপলব্ধ নেই |
সেবনবিধি
ক্যালসিয়াম ডোবেসিলেট ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট হিসেবে মুখে সেবন করুন, সাধারণত দৈনিক ৫০০ মিগ্রা থেকে ১০০০ মিগ্রা বিভক্ত মাত্রায়। শোষণ বৃদ্ধি করতে এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে ওষুধটি প্রধান খাবারের সাথে বা ঠিক পরে নেওয়া উচিত। ক্যাপসুলগুলো চিবানো বা গুঁড়ো না করে আস্ত গিলে ফেলতে হবে। গুরুতর কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে যাদের ডায়ালাইসিস প্রয়োজন, তাদের জন্য ডোজ কমানো প্রয়োজন কারণ এটি প্রধানত কিডনির মাধ্যমে নির্গত হয়। এটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সীমাবদ্ধ কারণ শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের ক্ষেত্রে সতর্কতার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং রোগীদের অ্যাগ্রানুলোসাইটোসিসের লক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- বমি বমি ভাব
- ডায়রিয়া
- ত্বকের র্যাশ
- জ্বর
- মাথাব্যথা এবং ভার্টিগো
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন প্রতিক্রিয়া নথিভুক্ত নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।