ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: টাইপ 2 ডায়াবেটিস মেলিটাস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - 60 বা 120 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: শিশু মাত্রা - কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা পাওয়া যায়নি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুপারিশকৃত নয়
সেবনবিধি

নেটগ্লিনাইড মুখে খাওয়ার ট্যাবলেট হিসেবে সাধারণত দিনে তিনবার সেবন করা হয়। প্রারম্ভিক ইনসুলিন নিঃসরণ পুনরুদ্ধার করতে এবং হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমাতে এটি অবশ্যই প্রধান খাবার খাওয়ার ১ থেকে ৩০ মিনিট আগে গ্রহণ করতে হবে। যদি কোনো বেলার খাবার বাদ দেওয়া হয়, তবে সেই বেলার ওষুধের ডোজও বাদ দিতে হবে। যাদের গ্লাইসেমিক লক্ষ্যমাত্রা কাছাকাছি তাদের জন্য প্রাথমিক প্রস্তাবিত ডোজ সাধারণত ৬০ মিগ্রা, যা কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ১২০ মিগ্রা পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। বয়স্ক বা বৃক্কের (কিডনি) সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন না থাকলেও, দীর্ঘস্থায়ী যকৃতের রোগে এটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত এবং গুরুতর যকৃতের সমস্যায় এটি ব্যবহার করা নিষেধ। পর্যাপ্ত সুরক্ষা তথ্যের অভাবে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Fluconazole
ঔষধের মাত্রা এবং প্রভাব বৃদ্ধি পায়
Salicylates, MAOIs (Phenelzine, Tranylcypromine, Selegiline, Moclobemide), Nonselective Beta-blockers (Propranolol, Metoprolol, Atenolol, Bisoprolol, Carvedilol, Nadolol, Timolol, Sotalol), Alcohol, NSAIDs (Ibuprofen, Naproxen, Diclofenac, Celecoxib, Meloxicam, Indomethacin, Piroxicam, Ketorolac)
রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়ার প্রভাব বৃদ্ধি পায়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
ডায়াবেটিক কিটোএসিডোসিস, টাইপ ১ ডায়াবেটিস
এই অবস্থায় কার্যকর নয় এবং বিপজ্জনক হতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store at 25° C.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।