ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের প্রতিরোধ
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: অপথালমিক সলিউশন - 0.1%
ফ্রিকোয়েন্সি: আক্রান্ত চোখে (বা চোখগুলোতে) দিনে চারবার 1-2 ফোটা প্রয়োগ করুন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের প্রতিরোধ
বয়স: 3 বছরের বেশি
ডোজ: অপথালমিক সলিউশন - 0.1%
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে চারবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত চোখে 1-2 ফোটা প্রয়োগ করুন
সেবনবিধি

আক্রান্ত চোখে পেমিরোলাস্ট পটাশিয়াম ০.১% অপথালমিক সলিউশন শুধুমাত্র বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করুন; এটি ইনজেকশন বা মুখে সেবনের জন্য নয়। এর প্রস্তাবিত মাত্রা হলো এক থেকে দুই ফোঁটা করে দিনে চারবার কনজাংটিভাল স্যাকে (চোখের নিচের অংশে) প্রয়োগ করা। ব্যবহারের আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন এবং দূষণ রোধ করতে ড্রপারের অগ্রভাগ যেন চোখ, চোখের পাতা বা অন্য কোনো পৃষ্ঠ স্পর্শ না করে তা নিশ্চিত করুন। রোগীদের ড্রপ ব্যবহারের আগে কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলতে হবে এবং পুনরায় পরার আগে অন্তত ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে, কারণ এতে থাকা প্রিজারভেটিভ লেন্স দ্বারা শোষিত হতে পারে। এই ওষুধটি প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৩ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদের জন্য নির্দেশিত। যদিও এর সিস্টেমিক শোষণ খুব সামান্য, তবুও গর্ভাবস্থায় বা স্তন্যদানকালে ব্যবহারের ক্ষেত্রে রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রক্তে এর উপস্থিতি কম হওয়ার কারণে সাধারণত বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার জন্য বিশেষ কোনো মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন তালিকাভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store at 15-25° C. Keep out of reach of children. Do not use more than 4 weeks after opening

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।