ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: চক্ষুসংক্রান্ত - 1-2 ফোঁটা ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে 3-4 বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত চোখে প্রয়োগ করুন |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুপারিশকৃত নয় |
সেবনবিধি
পোভিডোন আয়োডিন ১.২৫% অপথালমিক সলিউশন অস্ত্রোপচারের আগে জীবাণুনাশক হিসেবে চোখের উপরিভাগে টপিক্যালি প্রয়োগ করা হয়। এটি কনজাংটিভা এবং পালপেব্রাল ফরনিক্সে প্রয়োগ করা উচিত, যা প্রায়শই অ্যানেস্থেটিক এজেন্ট ব্যবহারের পরে করা হয়। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতির জন্য চোখের পাতা, ল্যাশ এবং চারপাশের পেরিওকুলার ত্বক স্যাচুরেটেড অ্যাপ্লিকেটর বা স্পঞ্জের সাহায্যে বৃত্তাকার গতিতে পরিষ্কার করা উচিত। প্রায় দুই মিনিট সংস্পর্শে থাকার পর, অবশিষ্ট দ্রবণটি স্টেরাইল স্যালাইন ব্যবহার করে চোখ থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্রস্তুতিটি শুধুমাত্র পেশাদার ক্লিনিকাল ব্যবহারের জন্য এবং এটি ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া যাবে না। আয়োডিনে অতিসংবেদনশীলতা আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। বয়স্কদের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে নবজাতক শিশুদের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য থাইরয়েড কর্মহীনতার জন্য সতর্ক পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- স্থানীয় জ্বালাপোড়া এবং সংবেদনশীলতা
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
-
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।