ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ওরাল ট্যাবলেট - 1 টি ট্যাবলেট ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: পেডিয়াট্রিক |
ডোজ: ট্যাবলেট - কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওষুধের জন্য কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই। |
সেবনবিধি
এই মাল্টিভিটামিন এবং মিনারেল সাপ্লিমেন্টটি মুখে সেবন করুন, বিশেষ করে খাবারের সাথে। এটি চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে এবং পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অস্বস্তি কমায়। ট্যাবলেটগুলি এক গ্লাস জল দিয়ে আস্ত গিলে ফেলা উচিত এবং চিবানো বা গুঁড়ো করা যাবে না, যদি না সেগুলি বিশেষভাবে চিবিয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তৈরি করা হয়। ক্যালসিয়ামের সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য, দৈনিক ডোজ ৫০০-৬০০ মিলিগ্রামের বেশি হলে তা সারাদিনে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নেওয়া উচিত। শোষণে বাধা এড়াতে নির্দিষ্ট কিছু অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্যান্য ওষুধের সাথে এই সাপ্লিমেন্ট নেওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। বৃক্কের সমস্যা (renal impairment) বা কিডনিতে পাথর হওয়ার ইতিহাস থাকলে হাইপারক্যালসেমিয়ার ঝুঁকির কারণে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে ডোজ বয়স-নির্দিষ্ট সুপারিশকৃত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী হওয়া উচিত।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- সাধারণত ভালভাবে সহ্য করা হয়
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
-
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।