ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: নাকের বন্ধভাব
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: বড়ি - 60 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 4-6 ঘণ্টা পর পর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ: ২৪ ঘণ্টায় ৪টি বড়ি

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: নাকের বন্ধভাব
বয়স: 6 - 12 বছর বয়স
ডোজ: বড়ি - ১/২ বড়ি (30 mg)
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে
নির্দেশনা: নাকের বন্ধভাব
বয়স: 2 - 5 বছর বয়স
ডোজ: বড়ি - ১/৪ বড়ি (15 mg)
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতিদিন 3-4 বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে
সেবনবিধি

খাবারসহ বা খাবার ছাড়া মুখে সেবন করুন। ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ ডোজ হলো প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা অন্তর ৬০ মি.গ্রা., যা ২৪ ঘণ্টায় ৪টি ট্যাবলেটের (২৪০ মি.গ্রা.) বেশি নয়। ৬-১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিদিন ৩-৪ বার ৩০ মি.গ্রা. এবং ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিদিন ৩-৪ বার ১৫ মি.গ্রা. সেবনযোগ্য। ট্যাবলেটগুলো এক গ্লাস পানিসহ আস্ত গিলে ফেলা উচিত। গুরুতর বৃক্কের সমস্যা রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। সিম্প্যাথোমিমেটিক প্রভাবের প্রতি সংবেদনশীলতা বেশি থাকায় বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। গুরুতর উচ্চ রক্তচাপ বা গুরুতর করোনারি আর্টারি ডিজিজ রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Cardiac glycosides, Quinidine, TCAs
উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের ছন্দপতনের ঝুঁকি বাড়ে
Ergot alkaloids, Oxytocin
রক্তনালী সংকোচনের প্রভাব বাড়ে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
গুরুতর উচ্চ রক্তচাপ
রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যেতে পারে
করোনারি আর্টারি রোগ
হৃদরোগের জটিলতার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।