ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: ওরাল যক্ষ্মা বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: মানক অনিরীক্ষিত 2-মাসের চিকিৎসা |
ডোজ: ওরাল - ১.৫ g ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার সময়কাল: 2 মাস বিশেষ দ্রষ্টব্য: একাধিক ওষুধের চিকিৎসার অংশ হিসেবে। লিভারের সমস্যা: গুরুতর: প্রতিনির্দেশিত। |
|
নির্দেশনা: ওরাল যক্ষ্মা বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: মানক অনিরীক্ষিত 2-মাসের চিকিৎসা |
ডোজ: ওরাল - ২ g ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার সময়কাল: 2 মাস বিশেষ দ্রষ্টব্য: একাধিক ওষুধের চিকিৎসার অংশ হিসেবে। লিভারের সমস্যা: গুরুতর: প্রতিনির্দেশিত। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: যক্ষ্মা বয়স: শিশু অবস্থা: মানক অনিরীক্ষিত 2-মাসের চিকিৎসার জন্য একটি মাল্টিড্রাগ রেজিমেনের অংশ হিসেবে |
ডোজ: ওরাল - ৩৫ mg/kg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক |
|
নির্দেশনা: যক্ষ্মা বয়স: শিশু অবস্থা: পর্যায়ক্রমিক নিরীক্ষিত 2-মাসের চিকিৎসার জন্য একটি মাল্টিড্রাগ রেজিমেনের অংশ হিসেবে |
ডোজ: ওরাল - ৫০ mg/kg ফ্রিকোয়েন্সি: সপ্তাহে 3 বার |
কিডনি রোগীদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
অবস্থা: রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট |
ডোজ: ডোজ কমানো বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডোজ কমানোর প্রয়োজন হতে পারে |
সেবনবিধি
পাইরাজিনামাইড একটি বহুমুখী যক্ষ্মা বিরোধী চিকিৎসার অংশ হিসেবে মুখে সেবন করা হয়, যা খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া দিনে একবার গ্রহণ করা যায়। ট্যাবলেট প্রধানত ব্যবহৃত হলেও, ডিসপারসিবল ট্যাবলেটগুলো সেবনের আগে জলে গুলে নিতে হবে। ওষুধ-সংবেদনশীল যক্ষ্মার ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের আদর্শ ডোজ হলো প্রতিদিন ১৫-৩০ মিলিগ্রাম/কেজি, যা দিনে সর্বোচ্চ ২ গ্রামের বেশি হবে না। তবে গুরুতর কিডনির সমস্যা বা হেমোডায়ালাইসিস করা রোগীদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে তিনবার ২৫-৩৫ মিলিগ্রাম/কেজি ডোজ প্রয়োজন। আগে থেকে যকৃতের রোগ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে এবং তীব্র গেঁটেবাত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা এড়িয়ে চলতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে থেরাপিউটিক মাত্রা অর্জনের জন্য প্রায়শই ৩০-৪০ মিলিগ্রাম/কেজি উচ্চ ওজন-ভিত্তিক ডোজ প্রয়োজন হয়। চিকিৎসা শুরু করার আগে যকৃতের কার্যকারিতা এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা পরীক্ষা করা জরুরি।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- অস্বস্তি
- বমি বমি ভাব
- বমি
- ক্ষুধামন্দা
- গাঁটে ব্যথা
- পেশিতে ব্যথা
- জ্বর
- র্যাশ
- চুলকানি
- ব্রণ
- আলোর সংবেদনশীলতা
- গেঁটে বাত
- প্রস্রাবে কষ্ট
- পর্ফাইরিয়া
- থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া
- লিভারের বিষক্রিয়া
- ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস
- লিভারের মারাত্মক ক্ষতি
- ফুলমিন্যান্ট হেপাটাইটিস
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Uricosuric Agents (Probenecid, Sulfinpyrazone) (e.g. probenecid, sulfinpyrazone)
|
প্রভাব বিপরীত করে
|
|
Oestrogens
|
জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রভাব কমাতে পারে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
বিদ্যমান যকৃতের রোগ
|
যকৃতের ক্ষতি আরও বাড়াতে পারে
|
|
তীব্র গাউট
|
গাউটের আক্রমণ শুরু করতে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।