ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: কর্নিয়াল এডিমা থেকে সাময়িক উপশম
ডোজ: আই ড্রপস - ১-২ ফোঁটা
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 3 বা 4 ঘণ্টা পর পর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী; আক্রান্ত চোখে ব্যবহার করুন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: কর্নিয়াল এডিমা থেকে সাময়িক উপশম
ডোজ: আই ড্রপস - ১-২ ফোঁটা
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 3 বা 4 ঘণ্টা পর পর
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত চোখে অথবা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী।
সেবনবিধি

কর্নিয়াল এডিমা বা কর্নিয়ার ফোলাভাব কমাতে আক্রান্ত চোখে সোডিয়াম ক্লোরাইড ৫% আই প্রিপারেশন ব্যবহার করা হয়। অপথালমিক সলিউশন বা ড্রপের ক্ষেত্রে নির্দেশানুযায়ী প্রতি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অন্তর ১ বা ২ ফোঁটা ব্যবহার করুন। অপথালমিক অয়েন্টমেন্টের ক্ষেত্রে প্রতি ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অন্তর নিচের চোখের পাতার ভেতরের দিকে সামান্য পরিমাণ (প্রায় এক চতুর্থাংশ ইঞ্চি) প্রয়োগ করুন। দূষণ রোধ করতে ড্রপার বা অ্যাপ্লিকেটরের ডগা চোখসহ কোনো পৃষ্ঠে স্পর্শ করবেন না। ব্যবহারের আগে কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন এবং ব্যবহারের অন্তত ১৫ মিনিট পর পুনরায় পরুন। ব্যবহারের আগে এবং পরে হাত ধুয়ে নিন। যদি একাধিক চোখের ওষুধ ব্যবহার করেন, তবে দুটি ওষুধের মধ্যে অন্তত ৫ থেকে ১০ মিনিট বিরতি দিন এবং অয়েন্টমেন্টের আগে ড্রপ ব্যবহার করুন। শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এটি ব্যবহার করা উচিত। যদি চোখে ব্যথা, দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন বা টানা ৭২ ঘণ্টার বেশি জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়, তবে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Lithium
রক্তে মাত্রা প্রভাবিত করতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
এলার্জি প্রতিক্রিয়া
চোখে জ্বালা-যন্ত্রণার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store in a cool and dry place, away from light. Keep out of reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।