ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: মাইগ্রেন
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক: 18 বছরের বেশি
ডোজ: ওরাল - 50-100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: মাইগ্রেন পুনরায় দেখা দিলে প্রতি 2-ঘণ্টা অন্তর পুনরাবৃত্তি করতে হবে
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ: 200 mg/24 ঘণ্টা
নির্দেশনা: মাইগ্রেন
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক: 18 বছরের বেশি
অবস্থা: মৃদু থেকে মাঝারি হেপাটিক বৈকল্য
ডোজ: ওরাল - 50 mg
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ একক মাত্রা: 50 mg

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 18 বছরের কম
ডোজ: মাত্রা:
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি
সেবনবিধি

পানি দিয়ে চিবিয়ে বা গুঁড়ো না করে আস্ত গিলে ফেলুন। মাইগ্রেনের তীব্র ব্যথার প্রাথমিক ডোজ হলো ৫০-১০০ মিগ্রা, যা ব্যথা ফিরে আসলে ২ ঘণ্টা পর পুনরায় সেবন করা যেতে পারে; তবে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০ মিগ্রা পর্যন্ত নেওয়া যাবে। মৃদু থেকে মাঝারি যকৃতের সমস্যায় সর্বোচ্চ একক ডোজ হলো ৫০ মিগ্রা; তীব্র যকৃতের সমস্যায় এটি প্রতিনির্দেশিত। ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ইস্কেমিক হৃদরোগ, সেরিব্রোভাসকুলার সিন্ড্রোম বা অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিনির্দেশিত।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Ergotamine and related compounds
রক্তনালী সংকোচনজনিত প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে
SSRI, MAOIs (Phenelzine, Tranylcypromine, Selegiline, Moclobemide)
সেরোটোনিন সিনড্রোমের ঝুঁকি বাড়ে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
বেসিলার/হেমিপ্লেজিক/অফথালমোপ্লেজিক মাইগ্রেন
বিপজ্জনক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে
হার্ট অ্যাটাক/স্ট্রোকের ইতিহাস
হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store between 20°C-25°C temperature. Do not store in the refrigerator or freezer. Do not test before use

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।