ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: এবসেন্স সিজারস বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - শুরুতে, ৫০০ mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক বিশেষ দ্রষ্টব্য: ৪-৭ দিন অন্তর ২৫০ mg ধাপে বৃদ্ধি করা যেতে পারে। সাধারণ মাত্রা: দৈনিক ১-১.৫ g। সর্বোচ্চ: কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ২ g পর্যন্ত। দৈনিক ১.৫ g এর বেশি মাত্রা হলে কঠোর তত্ত্বাবধানের সুপারিশ করা হয়। কাম্য প্লাজমা ঘনত্ব: ৪০-১০-১০০ mg/L (৩০০-৭০০ micromol/L)। |
|
নির্দেশনা: এবসেন্স সিজারস বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: হেপাটিক ইমপেয়ারমেন্ট |
ডোজ: মুখের মাধ্যমে বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ৫০ মিলিগ্রাম/কেজি/দিন ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 6 থেকে 8 ঘণ্টা পর পর বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে (মৌখিক) |
কিডনি রোগীদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
অবস্থা: রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট |
ডোজ: নির্দিষ্ট করা হয়নি বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন |
সেবনবিধি
ইথোসাক্সিমাইড মুখে সেবনের ক্যাপসুল বা সিরাপ হিসেবে পাওয়া যায়, যা খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া গ্রহণ করা যেতে পারে; তবে খাবারের সাথে সেবন করলে পাকস্থলীর অস্বস্তি কম হতে পারে। ক্যাপসুলগুলো না চিবিয়ে বা না ভেঙে আস্ত গিলে ফেলা উচিত। ওরাল সল্যুশনের ক্ষেত্রে সঠিক ডোজ নিশ্চিত করতে একটি যথাযথভাবে ক্যালিব্রেট করা পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমিয়ে সর্বোত্তম খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ পেতে প্রতি চার থেকে সাত দিন অন্তর অল্প অল্প করে ধীরে ধীরে ডোজ সমন্বয় করা উচিত। যকৃৎ বা বৃক্কের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন; যদি ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স ১০ মিলি/মিনিটের নিচে নেমে যায় তবে ২৫% ডোজ কমানোর সুপারিশ করা হয়। হঠাৎ ওষুধ বন্ধ করা এড়িয়ে চলতে হবে কারণ এটি অ্যাবসেন্স স্ট্যাটাসকে ত্বরান্বিত করতে পারে। থেরাপি চলাকালীন নিয়মিত রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতা, যকৃতের কার্যকারিতা এবং আত্মহত্যার চিন্তাভাবনা পর্যবেক্ষণ করা অপরিহার্য।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- মাথা ঘোরা
- মাথাব্যথা
- তন্দ্রাচ্ছন্নতা
- ক্ষুধামন্দা
- ডায়রিয়া
- গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অস্বস্তি
- বমি বমি ভাব
- বমি
- অ্যাটাক্সিয়া
- বিভ্রান্তি
- ঝিমুনি
- ঘুমের ব্যাঘাত
- মাড়ির বৃদ্ধি
- হেঁচকি
- জিহ্বা ফুলে যাওয়া
- অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া সহ রক্তের ডিসক্রেসিয়াস
- অ্যালার্জি জনিত প্রতিক্রিয়া
- আর্টিকারিয়া
- চুলকানিযুক্ত এরিথম্যাটাস র্যাশ
- ঝাপসা দৃষ্টি
- মায়োপিয়া
- সাইকোসিস
- খিঁচুনি
- আত্মহত্যার চিন্তা ও আচরণ
- স্টিভেনস-জনসন সিনড্রোম
- সিস্টেমিক লুপাস এরিথমেটোসাস
- হিরসুটিজম
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Isoniazid
|
রক্তে মাত্রা বেড়ে বিষক্রিয়া করতে পারে
|
|
Antipsychotics (Haloperidol, Risperidone, Quetiapine, Olanzapine, Clozapine, Aripiprazole), Antidepressants (Fluoxetine, Sertraline, Paroxetine, Citalopram, Escitalopram, Venlafaxine, Duloxetine), MAOIs (Phenelzine, Tranylcypromine, Selegiline, Moclobemide), Mefloquine
|
মৃগী রোধের প্রভাবকে বাধা দিতে পারে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।