ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: কর্টিকোস্টেরয়েড-সংবেদনশীল ডার্মাটোসেস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্রিম/জেল/লোশন/অয়েন্টমেন্ট/স্ক্যাল্প লোশন - 0.0025-0.025%
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত স্থানে (সমূহ) প্রয়োগ করুন।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: অনুমোদিত শিশুর ডোজ উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: অনুমোদিত শিশুর ডোজ উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

ফ্লুওসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড এবং ক্লিওকুইনল শুধুমাত্র ত্বকে ব্যবহারের জন্য নির্দেশিত। আক্রান্ত স্থানে প্রতিদিন দুই থেকে চারবার পাতলা আবরণ তৈরি করে প্রয়োগ করুন এবং আলতোভাবে মালিশ করুন। চোখ, নাক এবং মুখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফাটা চামড়া, মুখমণ্ডল, কুঁচকি বা বগলে ব্যবহার করবেন না। আবরনী ব্যান্ডেজ (occlusive dressings) ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ শোষণ বৃদ্ধি পায় এবং হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি-অ্যাড্রিনাল এক্সিস দমনের ঝুঁকি তৈরি হয়, বিশেষ করে শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে যারা সিস্টেমিক টক্সিসিটির প্রতি বেশি সংবেদনশীল। যদি ডায়াপার পরানো স্থানে ব্যবহার করা হয়, তবে টাইট ডায়াপার বা প্লাস্টিকের প্যান্ট এড়িয়ে চলুন। রোগীদের উচিত ওষুধ ব্যবহারের আগে এবং পরে হাত ধোয়া। যদি জ্বালাপোড়া বা গৌণ সংক্রমণ (secondary infection) দেখা দেয় তবে ব্যবহার বন্ধ করুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোনো ড্রাগ ইন্টারাকশন নথিভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
ইকজেমাযুক্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক, কানের পর্দায় ছিদ্র
ঔষধ বেশি শোষণ এবং জটিলতার ঝুঁকি
সংক্রামক (ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক) ঘা
সংক্রমণ আরও বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।